মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮৫৮টি ফ্লাইট বাতিল
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ৮৫৮ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে ৮৫৮টি ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৮৫৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) এর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুযায়ী, এই বাতিলকৃত ফ্লাইটগুলোর সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিস্তৃত।

আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব

সিএএবি'র জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাওসার মাহমুদ রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রেখেছে। এই আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব সরাসরি পড়েছে বাংলাদেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হযরত শাহজালালের ওপর।

কাওসার মাহমুদ ব্যাখ্যা করেন, "আকাশসীমা বন্ধ হওয়ার পর থেকেই শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বাতিল শুরু হয় এবং এটি অব্যাহত রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রোববার দুপুর পর্যন্ত ৮৫৮টি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি সোমবার দুপুর পর্যন্ত আরও ১৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফ্লাইট বাতিলের সময়সীমা ও পরিসংখ্যান

ফ্লাইট বাতিলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • মোট বাতিল ফ্লাইট: ৮৫৮টি
  • সময়সীমা: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত
  • অতিরিক্ত বাতিল: সোমবার দুপুর পর্যন্ত ১৮টি ফ্লাইট
  • প্রভাবিত দেশসমূহ: ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান

এই ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা শুধুমাত্র সংখ্যাগত দিক দিয়েই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির গভীর প্রভাবও নির্দেশ করে। বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে আরও ফ্লাইট বাতিলের সম্ভাবনা সম্পর্কে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিচ্ছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশসীমা পুনরায় খোলার পর ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।