ইরানে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু, ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদনে আশার আলো
ইরানে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু, ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদনে আশা

ইরানে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু, ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদনে আশার আলো

বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সে হামলার পর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া ইরানি গ্যাস সরবরাহ আবার ইরাকে চালু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্কাই নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলার পর ইরান থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়, যা ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

হামলা ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপট

হামলাটি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যদিও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি। এর প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে, ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইরানের সামরিক বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের জ্বালানি স্থাপনাগুলো আবারও লক্ষ্যবস্তু হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়ার সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু

এদিকে ইরাকের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ঘনমিটার হারে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। এই সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, “গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় ইরাকের বিদ্যুৎ খাতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে, যা জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব

এই ঘটনাটি ইরাকের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছিল, যা শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেছিল। ইরানের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে, বিশেষ করে আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় ইরাকের বিদ্যুৎ খাতে আশার আলো দেখা দিয়েছে, তবে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।