জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস: ২০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যে, ২১ মার্চ দক্ষিণ এশিয়ায় ঈদুল ফিতর
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস: ২০-২১ মার্চ ঈদুল ফিতর

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস: ২০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যে, ২১ মার্চ দক্ষিণ এশিয়ায় ঈদুল ফিতর

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস দিয়েছেন। শারজাহ অ্যাকাডেমি ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাস সম্পূর্ণ ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। এই গণনার ভিত্তিতে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২০ মার্চ শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হিসেবে ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ২১ মার্চ ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

চাঁদ দেখা ও রমজানের সমাপ্তি

অ্যাকাডেমির পর্যবেক্ষণ অনুসারে, ১৮ মার্চ রমজান মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, এই দিন সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ অস্ত যাবে। ফলে, ১৯ মার্চকে রমজানের শেষ দিন হিসেবে ধরা হবে। যদিও ১৯ মার্চ ভোরে নতুন চাঁদের সংযোগ ঘটবে, কিন্তু সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স, অবস্থান এবং দৃশ্যমানতার সময়সীমা অত্যন্ত সীমিত থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে খালি চোখে চাঁদ দেখা প্রায় অসম্ভব বলে জানানো হয়েছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের প্রভাব

জ্যোতির্বিদরা উল্লেখ করেছেন, কিছু পশ্চিমাঞ্চলীয় আরব ও মুসলিম দেশে ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধার কারণে চাঁদ দেখা যেতে পারে। এই বিষয়টি ঈদের তারিখ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিকাংশ দেশে ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপনের সম্ভাবনা থাকলেও, যেসব দেশ সরাসরি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, তারা স্থানীয় পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে ২১ মার্চ ঈদ ঘোষণা করতে পারে।

এভাবে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই পূর্বাভাস মুসলিম বিশ্বে ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পার্থক্যের কারণে তারিখে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে, যা ইসলামিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।