ইরান সংঘাতে নেতানিয়াহুর 'দাহিয়া নীতি' ও যুক্তরাষ্ট্রের জড়িততা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর ইরান সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
নেতানিয়াহুকে মূল খেলোয়াড় হিসেবে চিহ্নিত
ইরান সংঘাতে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে মূল খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে নিজের ফাঁদে টেনে এনেছেন, যাতে ইরানের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। তাদের লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হওয়া থেকে বিরত রাখা, নতুবা ইরান পারমাণবিক শক্তিধর হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
'দাহিয়া নীতি'র প্রয়োগ ও ব্যর্থতা
ইরানি নেতৃত্বকে দুর্বল করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় এখন 'দাহিয়া নীতি' প্রয়োগ করা হচ্ছে। এই নীতি অনুযায়ী, বেসামরিক জনগণের ওপর অবিরাম কঠোর আঘাত হেনে বিজয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। গাজায় এই নীতি ব্যর্থ হলেও, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে এটি প্রয়োগ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইরান সংঘাতের পটভূমিতে নেতানিয়াহুর ভূমিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, এই নীতি প্রয়োগের ফলে ইরানের সাধারণ জনগণের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
