মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ঢাকার বিমানবন্দরে ৭৪ ফ্লাইট বাতিল
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বিমান চলাচলে। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।
তিন দিনে ৭৪টি ফ্লাইট বাতিল
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র থেকে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত মোট ৭৪টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই বাতিলকৃত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের উড়ান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রথম দিনের বাতিল ফ্লাইট
২৮ ফেব্রুয়ারি রাত পর্যন্ত মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এই তালিকায় এমিরেটসের ১টি, গালফ এয়ারের ১টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ১টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৩টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৬টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১১টি ফ্লাইট স্থান পেয়েছে।
রবিবারের ব্যাপক বাতিল
রবিবার (১ মার্চ) সারা দিনে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০টিতে। এদিন জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এমিরেটসের ৫টি, গালফ এয়ারের ২টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ২টি, সালাম এয়ারের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
সোমবারের প্রাথমিক বাতিল
এছাড়া এখনও পর্যন্ত সোমবারের (২ মার্চ) ১১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটসের ৫টি এবং গালফ এয়ারের ২টি ফ্লাইট রয়েছে।
যাত্রীদের ভোগান্তি
সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ৭৪টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই ব্যাপক ফ্লাইট বাতিলের ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা হাজারো যাত্রী গুরুতর ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে, তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়ে গেছে।
