ফুজাইরায় হামলায় বাংলাদেশের উদ্বেগ, নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা
ফুজাইরায় হামলায় বাংলাদেশের উদ্বেগ, নিরাপত্তা ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরায় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিও তুলে ধরে।

হামলার বিবরণ

আজ ভোরে ফুজাইরায় অবস্থিত একটি তেল শোধনাগারে একটি ড্রোন আঘাত হানে। এতে সেখানে কর্মরত তিনজন আহত হন। হামলার পর শোধনাগারে আগুন জ্বলতে দেখা যায়, যা পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও তেহরান এখনো এর দায় স্বীকার করেনি।

বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেসামরিক স্থাপনায় এ হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বিঘ্ন। এ ঘটনা দেশটির বেসামরিক নাগরিকসহ সেখানে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনকেও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে আটজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান

সংঘাত না বাড়িয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংকট সমাধানের প্রত্যাশা জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, কূটনৈতিক আলোচনার মধ্য দিয়ে সব ধরনের মতপার্থক্যের অবসান ঘটতে পারে। একইসঙ্গে পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে গড়ানোর মতো কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রেক্ষাপট

মধ্যপ্রাচ্যে গত এপ্রিলের শুরু থেকে যুদ্ধবিরতি চললেও ফুজাইরায় হামলা যুদ্ধ পুনরায় শুরুর ঝুঁকি তৈরি করেছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে এই হামলা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।