মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন ও রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত সপ্তাহান্তে তারা ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত দেশটির রাডারসহ ড্রোন–সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ পরিচালনা করে।
হামলার কারণ
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়াসহ ইরানের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবে যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালিয়েছে। ইরানের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
হামলার লক্ষ্যবস্তু
হামলায় ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের ড্রোন ও রাডার স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই স্থাপনাগুলো ইরানের ড্রোন কার্যক্রম ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই হামলা আত্মরক্ষামূলক এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় বৈধ।
আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক মহলও এই হামলার নিন্দা বা সমর্থন জানাতে শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ রয়েছে। এই হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।



