ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ১৭৭৬ সালে প্রতিষ্ঠাতা নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে মানুষের জন্মগত ও মৌলিক অধিকারের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।
স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক গুরুত্ব
ক্রিস্টেনসেন বলেন, 'আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে মনে করি যে সব মানুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা তাদের এমন কিছু অধিকার দিয়েছেন, যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এর মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার।' তিনি আরও বলেন, ইংল্যান্ডের সাথে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যের পর উপনিবেশগুলো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
আমেরিকা ফার্স্ট নীতি ও কূটনীতি
রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমেরিকা ফার্স্ট নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে, যার অর্থ আমেরিকা একা নয়। স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মিত্রদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের সাথে ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি এবং মে মাসে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা সমঝোতা স্মারক দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করছে।
ফ্রিডম ২৫০ উদ্যোগ
আমেরিকার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন ফ্রিডম ২৫০ বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্তির চেতনা স্মরণ ও উদযাপন করা হচ্ছে। ক্রিস্টেনসেন বলেন, 'ফ্রিডম ২৫০ শুধু অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর উপলক্ষ নয়; এটি ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার এক সূচনা মঞ্চ।' তিনি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে আমেরিকা সপ্তাহ এবং ২০২৬ সালজুড়ে উদযাপনে সবাইকে আমন্ত্রণ জানান।



