ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিতে চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এক বিবৃতিতে বলেন, 'আমরা ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করতে প্রস্তুত।' তিনি আরও বলেন, ইরান থেকে আসা হুমকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক জোট গঠন জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, তারা ইসরায়েলের প্রস্তাব বিবেচনা করছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ওয়াশিংটন মনে করে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের আগে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শেষ করতে হবে।
আঞ্চলিক প্রভাব
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে হামলা গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বাড়াবে। ইরান ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কোনো হামলার জবাব দেবে তারা। অন্যদিকে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সংঘাত এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'এই অঞ্চলে যুদ্ধ আরও ধ্বংসাত্মক হবে। সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে হবে।'
এদিকে, রাশিয়া ও চীন ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছে, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করবে।



