ইরান কাগুজে বাঘ নয়, ভেনেজুয়েলার মতো শেষ করা যাবে না: বিশ্লেষক
ইরান কাগুজে বাঘ নয়, ভেনেজুয়েলার মতো শেষ করা যাবে না

লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান নিরাপত্তাজনিত লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে বরং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক টিকে থাকার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক কলিন ক্লার্ক। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

নেতানিয়াহুর যুদ্ধ

ক্লার্ক বলেন, 'আমি এটিকে ইসরাইলের যুদ্ধ হিসেবে দেখি না। আমি এটিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধ হিসেবে দেখি। বিচারিক জবাবদিহিতা এড়াতে তার যুদ্ধযন্ত্র চালু রাখা প্রয়োজন।' তার ভাষায়, 'যখন সংগীত থেমে যায়, তখন বসার জন্য একটি চেয়ার খুঁজতে হয়। আর নেতানিয়াহু বর্তমানে ইসরাইলের অভ্যন্তরে ব্যাপক রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন।'

মার্কিন সমর্থনের প্রয়োজনীয়তা

ক্লার্কের মতে, ওয়াশিংটনের সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় এবং শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতেই রয়েছে। তিনি বলেন, 'মার্কিন সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধের ধারাবাহিকতা থাকবে না। নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধ শুরু করতে রাজি করাতে পারেন, আবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইলে সেই চাপ উল্টো দিকেও প্রয়োগ করে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেন।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা

বিশ্লেষক ক্লার্ক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা বোঝা। তার মতে, 'ইরান সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করবে না বা নতি স্বীকার করবে না। এটি এমন কোনো 'কাগুজে বাঘ' নয়, যাকে ভেনেজুয়েলার মতো রাতারাতি ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব। যখন ওয়াশিংটন এই বাস্তবতা উপলব্ধি করবে, তখন যুদ্ধ বন্ধের পথও সহজ হবে।'

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা নিয়ে এই মন্তব্য এসেছে। বিশ্লেষকের মতে, ইরানকে দুর্বল করার যে প্রচেষ্টা চলছে তা সফল হবে না, বরং যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ