হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে ইরানের আইআরজিসির অনুমতি বাধ্যতামূলক
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছেন যে, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সমস্ত জাহাজকে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হবে। এই ঘোষণাটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের জন্য পৃথক নিয়ম
অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজসহ সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাবে। তবে সামরিক বা নৌবাহিনীর জাহাজগুলো এই অনুমতি থেকে বাদ পড়বে, যা ইরানের কঠোর নিরাপত্তা নীতির প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
লেবাননের যুদ্ধবিরতি ও প্রণালির উন্মুক্ততা
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি উল্লেখ করেছিলেন যে, লেবাননের যুদ্ধবিরতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে। তিনি বলেছেন, লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময়ে এই প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ অতিক্রম করতে পারবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হরমুজ প্রণালির সম্পূর্ণ উন্মুক্ততার কথা বলেছেন, কিন্তু তিনি স্পষ্ট করেছেন যে ইরানের বন্দর অবরোধ বজায় থাকবে। ট্রাম্পের মতে, ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরে অবরোধ বজায় রাখবে, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার একটি দিক নির্দেশ করে।
এই ঘটনাগুলো হরমুজ প্রণালির কৌশলগত গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা বাড়িয়েছে। সূত্র হিসেবে আল–জাজিরার প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই সংকটের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে।



