যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে চার জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে চার জাহাজ হরমুজ পার

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে চার জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ঘোষিত নৌ অবরোধের মধ্যেই চারটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি ভেরিফাই। জাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জলপথে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

জাহাজগুলোর পরিচয় ও গতিবিধি

মেরিন ট্রাফিকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি পার হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি এর আগে ইরানের বন্দরে অবস্থান করেছিল। ‘ক্রিস্টিয়ানা’ নামের একটি জাহাজ ইরানের একটি বন্দরে পূর্বে নোঙর করেছিল বলে নথিভুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, ‘রিচ স্টারি’ নামের আরেকটি জাহাজ আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল এবং এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে পূর্বমুখী যাত্রা শুরু করে রাতের মধ্যেই প্রণালি অতিক্রম করে।

এছাড়াও, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত আরেকটি জাহাজ ‘মুরলিকিশান’ চীনের লানসান থেকে রওনা হয়ে রাতেই হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। মেরিন ট্রাফিকের তথ্যে দেখা গেছে, জাহাজটির অবস্থান ছিল ইরানের কেশম দ্বীপের পূর্বদিকে, যা ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলের কাছাকাছি নির্দেশ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিষেধাজ্ঞা ও গন্তব্যের রহস্য

আরেকটি ট্যাংকার ‘এলপিস’ ইরানের বুশেহর বন্দর থেকে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পূর্বদিকে যাত্রা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এই জাহাজটিও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চলমান চাপের ইঙ্গিত দেয়। তবে, জাহাজগুলোর চূড়ান্ত গন্তব্য এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, অবস্থান গোপন রাখতে তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকতে পারে, যেমন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • জাহাজের ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রাখা
  • অপ্রত্যাশিত রুট পরিবর্তন করা
  • অস্থায়ী বন্দরে থামা

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছিল যে সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ অবরোধ করা হবে। এই ঘোষণা সত্ত্বেও জাহাজগুলোর চলাচল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক জলপথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যিক নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করতে পারে।