ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের চাপ বাড়ানোর কৌশল
ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের কৌশল

ইরানের বন্দর অবরোধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের চাপ বাড়ানোর কৌশল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (১৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে দেশটির বন্দরগুলো ঘিরে অবরোধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত বন্ধে তেহরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং একটি চুক্তিতে সম্মত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্পের বক্তব্য ও আলোচনার ইঙ্গিত

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘একটি দেশ পুরো বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি করছে, আমরা তা হতে দিতে পারি না।’ একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, ‘ওপারের পক্ষ’ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা একটি চুক্তিতে যেতে চায়। এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, মার্কিন প্রশাসন কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখছে, যদিও সামরিক চাপ বাড়ানো হচ্ছে।

ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি ও হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের সমস্ত বন্দরে হামলার হুমকি দিয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর দিকে লক্ষ্য রেখে। ইরানের এই হুমকি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অবরোধের প্রভাব ও জাহাজ চলাচল

অবরোধ শুরুর পরপরই হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া অন্তত দুটি তেলবাহী জাহাজ ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিনট্রাফিক। এই ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অবরোধের ফলে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়াও, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই পদক্ষেপ ইরানের তেল রপ্তানি ও অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশল কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে, তা এখন সবার নজরে।