যুক্তরাজ্যের দাবি: লেবাননেও প্রযোজ্য হোক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি
যুক্তরাজ্যের দাবি: লেবাননেও প্রযোজ্য হোক যুদ্ধবিরতি

যুক্তরাজ্যের দাবি: লেবাননেও প্রযোজ্য হোক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার স্পষ্ট ভাষায় দাবি জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি ঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে যখন লেবাননে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে।

কুপারের জোরালো বক্তব্য

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুপার জোর দিয়ে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, কারণ সেখানে ইসরাইল নিরবচ্ছিন্নভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ টোলমুক্ত ও নির্বিঘ্ন হতে হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার এই মন্তব্য রয়টার্স সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন

যুক্তরাজ্যের এই অবস্থানের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজও একই রকম দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। ব্রিসবেনে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে আমাদের সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি এই যুদ্ধবিরতিকে "একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি" হিসেবে বর্ণনা করলেও সতর্ক করে দিয়েছেন যে এটি এখনো "ভঙ্গুর শান্তি"। আলবানিজ আশা প্রকাশ করেন যে, এই বিরতি যেন একটি স্থায়ী ও টেকসই শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, "লেবাননে যা ঘটছে তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অনেক নাগরিক গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই সংঘাতের প্রভাব শুধু লেবাননেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রতিক্রিয়া সারা বিশ্বজুড়ে অনুভূত হচ্ছে।" তার এই মন্তব্য লেবানন সংকটের বৈশ্বিক প্রভাবকে তুলে ধরে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাপ্রবাহের পটভূমিতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এখন যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশগুলো লেবাননকে এই চুক্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে, যা আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।