ইসরায়েলের বিরোধী নেতা লাপিদের তীব্র সমালোচনা: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি 'কূটনৈতিক ব্যর্থতা'
ইসরায়েলের বিরোধী নেতা লাপিদের তীব্র সমালোচনা: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি 'কূটনৈতিক ব্যর্থতা'

ইসরায়েলের বিরোধী নেতা লাপিদের তীব্র সমালোচনা: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি 'কূটনৈতিক ব্যর্থতা'

ইসরায়েলের বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ ইরানের সঙ্গে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচনা করে তিনি একে ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ লিখেছেন, 'আমাদের ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আগে কখনও ঘটেনি। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয়গুলো নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না।'

লাপিদের পোস্টে উল্লেখিত মূল বক্তব্য

লাপিদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, এই যুদ্ধ চলাকালীন 'ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন করেছে এবং দেশের জনগণও অভাবনীয় ধৈর্য ও স্থিতিশীলতা দেখিয়েছে'। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু 'কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিজে যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার একটিও পূরণ করতে পারেননি'। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, 'নেতানিয়াহুর অহংকার, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করতে আমাদের বছরের পর বছর সময় লাগবে।'

চুক্তির প্রেক্ষাপট ও ইসরায়েলের অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে, এই চুক্তি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এই অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। লাপিদের সমালোচনা ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে, যেখানে বিরোধী দল সরকারের কূটনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর উপর তীব্র আক্রমণ চালাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের সরকারি অবস্থান এবং বিরোধী দলের সমালোচনা দেশটির নিরাপত্তা নীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লাপিদের এই মন্তব্য আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এবং চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।