ইরানের আইআরজিসি রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল
সৌদি আরবের রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে সংঘটিত ড্রোন হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি)। আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ওই ড্রোন হামলার পেছনে ইসরায়েলকে দায়ী করেছে তেহরান। তাদের দাবি অনুযায়ী, ইরানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই ইসরায়েলি সেনারা মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ
এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সৌদি আরব মার্কিন দূতাবাসে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে, প্রকৃতপক্ষে ক্ষতি আরও অনেক বেশি। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দূতাবাসে সীমিত আগুন ও সামান্য ক্ষতির কথা বললেও সেই আগুন কয়েক ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে এবং দূতাবাসের ভেতরে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে।
আইআরজিসির জোরালো প্রতিক্রিয়া ও ইসরায়েলকে দায়ী করা
তবে আইআরজিসি ওই প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দাবি করেছে, এই হামলার সঙ্গে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ‘কোনো সম্পর্কই নেই’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যুদ্ধ কৌশল বিবেচনায় এটি ‘নিশ্চিতভাবেই জায়নবাদীদের কাজ’। তাদের একটি বিবৃতিতে ‘জায়নবাদী শাসনের ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই মুহূর্তে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হলো যুক্তরাষ্ট্র-জায়নবাদী শক্তির অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ও অঞ্চল ধ্বংসের ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকা।’ এই বক্তব্য ইরানের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে তাদের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



