ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় অঞ্চল লক্ষ্য করে ইরান অন্তত ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। চলমান সংঘাতের শুরুর পর থেকে এটিকে অন্যতম বড় হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই হামলা দুই ধাপে পরিচালিত হয়েছে। প্রথম দফায় ১০টি এবং পরবর্তী দফায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তা
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে, প্রোটোকল অনুযায়ী কিছু ক্ষেপণাস্ত্রকে জনশূন্য বা খোলা স্থানে আঘাত হানতে দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হতাহতের অবস্থা
ইসরায়েলের জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের খবর খতিয়ে দেখছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এই তথ্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলাগুলোতে সাধারণত ৩টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছিল, কিন্তু এবারের ঘটনাটি তা থেকে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
হামলার প্রেক্ষাপট
এই হামলা চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, এটি একটি বড় আকারের আক্রমণ যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয় ভূমিকা এবং হতাহতের অনুপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা কৌশলের একটি দিক তুলে ধরেছে।



