ইরানের আইআরজিসি ঘোষণা: ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ১০০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
ইরানের আইআরজিসি: ইসরায়েল-মার্কিন ঘাঁটিতে ১০০+ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের আইআরজিসি ঘোষণা: ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ১০০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তারা জানিয়েছে যে ইরান ও তার মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ শেষ দফার হামলায় ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করেছে। এই হামলাগুলো ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থান এবং পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে পরিচালিত হয়েছে। আইআরজিসির তথ্যমতে, এই হামলায় অন্তত ২০০টি রকেটও ছোড়া হয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে লক্ষ্যবস্তু

আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি ঘাঁটি এবং কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে অবস্থিত একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ইউনিট অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় কুয়েতের ঘাঁটিতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে, যা মার্কিন সামরিক উপস্থিতির উপর একটি বড় ধরনের আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘটনাটি পারস্য উপসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

হামলা অব্যাহত থাকার ঘোষণা

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এ ধরনের হামলা ‘পূর্ণ তীব্রতা ও শক্তি’ নিয়ে অব্যাহত থাকবে। এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান ও তার মিত্ররা আঞ্চলিক শক্তি প্রদর্শন এবং প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য সামরিক কার্যক্রম জোরদার করতে পারে। আইআরজিসির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই হামলাগুলোর পটভূমিতে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। আইআরজিসির এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী নজর কেড়েছে।