ট্রাম্পের হুমকি: চুক্তি না হলে ইরানের তেল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস
ট্রাম্পের হুমকি: ইরানের তেল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস

ট্রাম্পের হুমকি: চুক্তি না হলে ইরানের তেল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শিগগির চুক্তি না হলে ইরানের খার্গ দ্বীপ, তেলকূপ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এই হুমকি দিয়ে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে 'গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা' চালাচ্ছে।

ট্রাম্পের বক্তব্য

ট্রাম্প লিখেছেন, 'বড় অগ্রগতি হয়েছে কিন্তু, যদি কোনো কারণে শিগগির চুক্তি না হয়, যা সম্ভবত হবে, এবং যদি হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে 'ব্যবসার জন্য খোলা' না হয়, আমরা আমাদের সুন্দর 'থাকা' ইরানে শেষ করব তাদের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলকূপ ও খার্গ দ্বীপ (এবং সম্ভবত সব লবণাক্ততা দূরীকরণ কেন্দ্র!) ধ্বংস করে, যা আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে এখনো 'স্পর্শ করিনি।'

ইরানে 'রেজিম পরিবর্তন'

রবিবার রাতে, ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে এক মাস আগে শুরু হওয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানে 'রেজিম পরিবর্তন' হয়েছে। তিনি নিহত ইরানি নেতাদের সংখ্যা উল্লেখ করে নতুন নেতৃত্বকে 'আরও যুক্তিসঙ্গত' বলেছেন। ট্রাম্প বলেন, 'আমরা আগে যাদের সঙ্গে কারও কারও সঙ্গে কাজ করেছি তাদের চেয়ে ভিন্ন মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন গোষ্ঠী। তাই আমি এটিকে রেজিম পরিবর্তন বলে বিবেচনা করব।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইরানের সঙ্গে এই সপ্তাহে চুক্তি হতে পারে কিনা জিজ্ঞাসা করা হলে, ট্রাম্প বলেন, 'আমি ইরানে একটি চুক্তি দেখছি। শিগগির হতে পারে।' তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে 'আরও যুক্তিসঙ্গত শাসন' নিয়ে আলোচনা করছে, যা যুদ্ধ শেষ করার চুক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হুমকির প্রভাব

ট্রাম্পের এই হুমকি ইরানের তেল রপ্তানি ও অর্থনীতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করেছে। খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র, এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হলে দেশটির অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য চুক্তির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।