ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় ইসরাইলের হাইফায় তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ড
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ইসরাইলের উপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। সংঘাতের ৩১তম দিনে এই প্রতিশোধমূলক যৌথ হামলায় ইসরাইলের হাইফা শহর কাঁপিয়ে উঠেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল শোধনাগারে আগুন
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ও হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিব ও হাইফায় কয়েকটি লক্ষ্যবস্তু আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে হাইফা শহরের বাজান তেল শোধনাগারে সরাসরি আঘাতের পর ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যেখান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়—এটি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের ফল নাকি ধ্বংসাবশেষের পতনের কারণে ঘটেছে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতি ও ধোঁয়ার মেঘ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
নৌঘাঁটিতে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যারেজ
হিজবুল্লাহ সংগঠনটি দাবি করেছে যে, তারা হাইফার নৌঘাঁটিতেও ‘উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ব্যারেজ’ বা একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই হামলা ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বেইত লিফে ইসরাইলি বাহিনীর উপর হামলা
হিজবুল্লাহ আরও জানিয়েছে যে, তারা বেইত লিফ শহরের একটি বাড়ির ভেতরে অবস্থানরত ইসরাইলি বাহিনীর উপর গাইডেড মিসাইল বা নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় বেশ কয়েকজন ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যদিও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা ও তাদের অবস্থা নিশ্চিত করা যায়নি।
এই ঘটনাটি ইসরাইল-ইরান সংঘাতের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ব্যস্ত রয়েছে।



