মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বিমান চলাচল স্থবির, চট্টগ্রামে একদিনে সাত ফ্লাইট বাতিল
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বিমান চলাচল স্থবির, চট্টগ্রামে সাত ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিমান চলাচলে স্থবিরতা, চট্টগ্রামে একদিনে সাত ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে আকাশপথের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক স্থবিরতা নেমে এসেছে। এই নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি পড়েছে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অবস্থিত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উপর। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বুধবার (২৫ মার্চ) মাত্র একদিনেই আরও সাতটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর বিস্তারিত বিবরণ

বুধবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মধ্যপ্রাচ্যগামী দুটি বহির্গমন ফ্লাইট এবং দুটি আগমনী ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বহির্গমন ফ্লাইট এবং এয়ার আরাবিয়ার একটি আগমনী ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই বাতিলকরণগুলি যাত্রীদের জন্য উল্লেখযোগ্য অসুবিধা সৃষ্টি করেছে এবং বিমান সংস্থাগুলোর অপারেশনেও ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

সীমিত পরিসরে চলাচল অব্যাহত

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সীমিত পরিসরে কিছু ফ্লাইট চলাচল সচল রয়েছে। বুধবার বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের আটটি আগমনী ফ্লাইট এবং চারটি বহির্গমন ফ্লাইট সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। তবে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এই রুটগুলি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলের সাথে সরাসরি সংযুক্ত হওয়ায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট বাতিল ফ্লাইট সংখ্যা

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত মোট ১৮৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এই সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সংঘাতময় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচলের এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপারেশনাল ঝুঁকি কমাতে এই সিদ্ধান্তগুলি গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেছেন। তারা পরিস্থিতি নিরবচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট রয়েছেন।