কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা, অগ্নিকাণ্ডে বস্তুগত ক্ষতি
কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা, আগুনে ক্ষতি

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ড, হতাহত নেই

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি গুরুতর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা ইরানি ড্রোন হামলার ফলাফল বলে দাবি করা হয়েছে। কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বুধবার (২৫ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, তবে এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে। খবরটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ড্রোন হামলার বিস্তারিত বিবরণ

কুয়েতের কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরে অবস্থিত একটি ফুয়েল ট্যাংককে লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই হামলার জেরে বিমানবন্দরে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যেখানে অগ্নিনির্বাপক দল তৎপরতা শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ঘটনায় শুধুমাত্র বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে কোনও প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইরানের নতুন হামলার দাবি

এদিকে, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ৮৮তম ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধাপ চালু করেছে। আইআরজিসির দাবি অনুসারে, ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর তেল আবিব, কিরইয়াত শোমোনা ও বেনি বার্কে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এছাড়া, কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও এই হামলার লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

অন্যদিকে, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৯টি ড্রোন ও ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে। মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "সবশেষ ৪০ মিনিটে দেশের পূর্বাঞ্চলে আমরা ৯টিরও বেশি ড্রোন ইন্টারসেপ্ট ও ধ্বংস করেছি।" তবে, ড্রোনগুলো কোথা থেকে ছোঁড়া হয়েছে এবং এতে কোনও হতাহত বা ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে কিনা সে সম্পর্কে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য প্রদান করেনি সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এই ঘটনাগুলো আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। কুয়েত বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও, ইরানের হামলার দাবি এবং সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে।