মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে চট্টগ্রামে ফ্লাইট বাতিল ১৭৯

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আরও ৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যা চলমান সংকটকে আরও গভীর করেছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৭৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটের বিস্তারিত বিবরণ

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বহির্গমন ফ্লাইট এবং এয়ার আরাবিয়ার একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আগত ফ্লাইট সূচিতে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো কাটেনি। তবে ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৬টি আগমন এবং ৪টি বহির্গমন ফ্লাইট সচল ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সতর্কতা ও পরামর্শ

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত অস্থিরতা সরাসরি বিমান চলাচলের ওপর প্রভাব ফেলছে, যা যাত্রীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে যে, তারা যেন তাদের ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জানতে এয়ারলাইনসের অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখেন।

এই সংকটের প্রভাব শুধু ফ্লাইট বাতিলেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি শীঘ্রই নিয়ন্ত্রণে এলে ফ্লাইট সূচি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।