ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ঘোষণা করেছে যে তারা ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলোকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ‘ইরানি সন্ত্রাসী শাসনের লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
লেবাননে পূর্ববর্তী হামলা
এই নতুন হামলার আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতেও আক্রমণ পরিচালনা করেছে। আইডিএফের বক্তব্য অনুযায়ী, বৈরুতের কিছু নির্দিষ্ট এলাকাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, এই ঘটনাগুলো আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বৈরুতে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজধানী বৈরুতের সাতটি পাড়া বা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল। এই সতর্কতা জারির পরই তারা অপারেশন শুরু করার ঘোষণা দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল সম্ভাব্য হামলা এড়ানোর জন্য।
এই সাম্প্রতিক হামলাগুলো ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান বৈরিতা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনাগুলো মধ্য প্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ইরানি প্রভাব মোকাবেলা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করছেন, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। লেবাননে ইসরাইলি হামলার পর তেহরানে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানো আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।



