ইরাকে মার্কিন সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় ৬ সেনা নিহত, পেন্টাগন প্রকাশ করলো নাম
ইরাকে মার্কিন বিমান দুর্ঘটনায় ৬ সেনা নিহত, নাম প্রকাশ

ইরাকে মার্কিন সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় ছয় সেনা নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে সংঘটিত একটি মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ছয় মার্কিন সেনার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান দুর্ঘটনার শিকার হলে এই ছয়জন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

পেন্টাগন কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে এই দুর্ঘটনাটি শত্রুপক্ষের কোনো হামলার কারণে ঘটেনি। মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি রিফুয়েলিং বিমান ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে আকাশপথে সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এই ঘটনায় ছয়জন অভিজ্ঞ সামরিক কর্মী নিহত হন, যাদের মধ্যে তিনজন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর সদস্য এবং বাকি তিনজন এয়ার ন্যাশনাল গার্ডে কর্মরত ছিলেন।

নিহত মার্কিন সেনাদের পরিচয়

পেন্টাগন কর্তৃপক্ষ নিহত ছয় মার্কিন সেনার পূর্ণ নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করেছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • জন ক্লিনার (৩৩) - আলাবামা রাজ্যের অবার্নের বাসিন্দা
  • আরিয়ানা সাভিনো (৩১) - ওয়াশিংটনের কোভিংটন এলাকার নিবাসী
  • অ্যাশলি প্রুইট (৩৪) - কেনটাকির বার্ডসটাউনের অধিবাসী
  • সেথ কোভাল (৩৮) - ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের বাসিন্দা
  • কার্টিস অ্যাংস্ট (৩০) - ওহাইওর উইলমিংটনের নাগরিক
  • টাইলার সিমন্স (২৮) - ওহাইওর কলম্বাসের বাসিন্দা

এই ছয় সেনাই মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইরাকে মোতায়েনকৃত অবস্থায় এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনার কারণ তদন্তাধীন

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে বিমান দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে এই দুর্ঘটনা শত্রুপক্ষের গুলিবর্ষণ বা নিজেদের বাহিনীর ভুলবশত হামলার কারণে ঘটেনি। এই বিবৃতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার তদন্ত জোরদার করেছে এবং নিহত সেনাদের পরিবারবর্গের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে ফেলেছে, যদিও পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে এটি কোনো শত্রু কর্মকাণ্ডের ফল নয়।