মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিলের ধারা অব্যাহত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখনও বাংলাদেশের বিমান চলাচলে ব্যাপকভাবে অনুভূত হচ্ছে। শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সারাদিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট সাতটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এয়ারফিল্ডের সীমিত কার্যক্রমের প্রভাব
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড এখনও সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়েছে চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং সেখান থেকে আগত ফ্লাইটগুলোর উপর।
বাতিল হওয়া ফ্লাইটের বিস্তারিত
বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স: দুবাই থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং দুবাইগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং মধ্যপ্রাচ্যগামী দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
- সালাম এয়ার: মাস্কাট থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং মাস্কাটগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।
সচল ফ্লাইটের অবস্থা
যদিও বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, তবুও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে একই দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ছয়টি যাত্রীবাহী এরাইভাল ফ্লাইট এবং চারটি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল।
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা
বিমানবন্দরের জনসংযোগ শাখা থেকে আরও জানানো হয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আজকের সাতটি ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এই সংখ্যা যুদ্ধ পরিস্থিতির স্থায়িত্ব এবং বিমান চলাচলের উপর এর প্রভাবের ব্যাপকতা নির্দেশ করছে।
