ইরানের কদর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড: ইসরায়েল-মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮তম দফার হামলা
ইরানের কদর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড, ইসরায়েলে হামলা

ইরানের কদর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড: ইসরায়েল-মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮তম দফার হামলা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮তম দফার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যার এই অভিযানে প্রথমবারের মতো ‘কদর’ (Qadr) ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ (গুচ্ছ বোমা) ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই হামলাকে রণক্ষেত্রে ইরানের পক্ষ থেকে এক বিরল ও শক্তিশালী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কদর ক্ষেপণাস্ত্রে নতুন কৌশল

এছাড়া প্রায় এক টন ওজনের ভারী ওয়ারহেড সমৃদ্ধ ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রও এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে খায়বার ও খুররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড দেখা গেলেও কদর ক্ষেপণাস্ত্রে এর ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নতুন ও কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকাশিত বিভিন্ন চিত্র ও ইসরায়েলি টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই দফায় অন্তত ২০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী দিনগুলোর তুলনায় হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

হামলার প্রতিক্রিয়া ও পটভূমি

ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই হামলার ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দলগুলোকে পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে। মূলত গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে চালানো ব্যাপক বিমান হামলার প্রতিবাদেই এই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী। এই হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের প্রতিশোধের সক্ষমতা ও সামরিক উদ্ভাবনী শক্তির প্রদর্শন করেছে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ