ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্কুল ও আবাসিক এলাকা আক্রান্ত, নিহতের সংখ্যা উদ্বেগজনক
ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্কুল আক্রান্ত, নিহত ১৭০

ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্কুল ও আবাসিক এলাকা আক্রান্ত

দক্ষিণ ইরানের শহর মিনাবের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ইরানের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

খোমেইনে স্কুল লক্ষ্য করে হামলা

এদিকে ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর খোমেইনের একটি স্কুলেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ডা. হাফিজ খোমেনি স্কুল। এই হামলায় স্কুলটির আশপাশের কয়েকটি আবাসিক বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তেহরান ও ইসফাহানে হামলার ঘটনা

সোমবার (৯ মার্চ) পূর্ব তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে, যাতে অন্তত ৪০ জন ইরানি নিহত হয়েছেন। আল-জাজিরার প্রতিবেদকদের মতে, তেহরানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার সারা দিন ধরেই পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর এ ধরনের বিস্ফোরণ ঘটছে বলে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইসফাহানসহ অন্যান্য বড় শহরগুলোকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর কাছাকাছি এলাকায় হামলা হওয়ায় সেখানে উদ্বেগ বাড়ছে। এছাড়া গভর্নরের কার্যালয়েও হামলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হামলার প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার ঘটনাপ্রবাহ চলমান রয়েছে। দক্ষিণ ইরানের মিনাবের প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে হামলার তদন্তের দাবি উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। স্কুল ও আবাসিক এলাকায় হামলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।

এই হামলাগুলো ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। কর্তৃপক্ষ হামলার বিস্তারিত তদন্ত ও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।