ইরানের আইআরজিসি দাবি: ইসরায়েলের শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, ইসরায়েলের তেল আবিব ও বিয়ারশেবা শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে আল-জাজিরা এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
আইআরজিসির বিবৃতির মূল বক্তব্য
বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, জর্ডানের আজরাক শহরে অবস্থিত আমেরিকান আগ্রাসী যুদ্ধবিমানগুলোর সবচেয়ে বড় ও সক্রিয় আক্রমণাত্মক ঘাঁটি মুওয়াফফাক আল-সালতি বিমানঘাঁটিতে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলাগুলো ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ঘণ্টা ও দিনগুলোতে শত্রুর বিরুদ্ধে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলার পরিমাণ ও গভীরতা আরও বাড়বে। এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান তার সামরিক কার্যক্রম তীব্রতর করতে পারে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করছে।
হামলার প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য প্রভাব
এই হামলাগুলো ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের এই দাবি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে হামলার কথা উল্লেখ করছে।
- হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তেল আবিব ও বিয়ারশেবা শহরের সামরিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে হামলা ইরানের আমেরিকান সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যেতে পারে।
- আইআরজিসির ভবিষ্যৎ হামলা বৃদ্ধির হুমকি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক গতিবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের এই বিবৃতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, এবং ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে।



