ইসরায়েলের দাবি: তেহরানে কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শনিবার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, ইরানের রাজধানী তেহরানে রাতভর পরিচালিত হামলায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলাটি ইসরায়েলি বিমান বাহিনী দ্বারা পরিচালিত হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলার বিস্তৃতি ও লক্ষ্য
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, তাদের বিমান বাহিনী মেহরাবাদ বিমানবন্দরসহ তেহরান শহরজুড়ে একটি ‘বিস্তৃত হামলা’ চালিয়েছে। সামরিক বাহিনী দাবি করেছে যে, কুদস ফোর্স এই বিমানবন্দরটিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র ও অর্থ পাঠানোর একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করত। এই গোষ্ঠীর মধ্যে লেবাননের হিজবুল্লাহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুদস ফোর্সের দায়িত্ব হলো ইরানের সীমান্তের বাইরে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা, যা এই হামলার পটভূমি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে, ইসরায়েলের এই দাবিগুলো এখনও স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের কোনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, যা পরিস্থিতির জটিলতা বাড়িয়ে তুলছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
এই ঘটনাটি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন একটি মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এই হামলার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। আল-জাজিরার মতো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এই খবরটি প্রচার করেছে, যা ঘটনাটির বিশ্বব্যাপী গুরুত্বকে তুলে ধরছে।
বর্তমানে, এই হামলার সঠিক পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ইরানি কর্তৃপক্ষের ভবিষ্যৎ প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবস্থান এই সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
