ইসরাইলে তৃতীয় দফার হামলা চালিয়েছে ইরান, নতুন অস্ত্রের ব্যবহার শুরু
ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে চলমান রয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ইরান থেকে নতুন মিসাইল ছোড়া হয়েছে।
হামলার বিস্তারিত ও প্রভাব
এই হামলার ফলে ইসরাইলের মধ্যাঞ্চল এবং দখলকৃত পশ্চিমতীরে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইরান জানিয়েছে যে তারা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মাধ্যমে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ২২তম ধাপ শুরু করেছে।
এই অপারেশনের অংশ হিসেবে খোররামশাহর-৪, খাইবার এবং ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিশাল বহর নিয়ে মধ্য ইসরাইলে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের এক ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা প্রকাশ করেছেন যে, দেশটি এ পর্যন্ত মূলত এক দশকের পুরনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, কিন্তু এখন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য নতুন উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখছে।
পটভূমি ও চলমান সংঘাত
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান এই আগ্রাসন শুরু করার পর, তারা উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে। এখন পর্যন্ত ইরান একাই ১০টির বেশি দেশের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবার নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে বলে জানিয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই হামলাগুলো ইসরাইল-ইরান সংঘাতের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে উভয় পক্ষই সামরিক শক্তি প্রদর্শনে সক্রিয়।
সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এটি মধ্য প্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এখনও হামলার পুরো প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে মূল্যায়ন করছে।
