ইরানে হামলায় সমর্থন না দেওয়ায় নরওয়ের সমালোচনা করল ইসরায়েল
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় সমর্থন না দেওয়ায় নরওয়ের কঠোর সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। অসলোতে নিযুক্ত ইসরায়েলি দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইতান হ্যালন এক সাক্ষাৎকারে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হ্যালন প্রশ্ন তোলেন, ‘নরওয়ে ইতিহাসের কোন পক্ষে থাকবে? আপনারা কি স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা ইরানি জনগণের পাশে দাঁড়াবেন, নাকি যারা ইরানিদের সেই সুযোগ করে দিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে তাদের নিন্দা জানাবেন?’
নরওয়ের অবস্থান ও ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েল এই হামলাকে প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে বর্ণনা করলেও নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ ইড বলেছেন, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ইড বলেন, ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য আসন্ন কোনও হুমকির প্রয়োজন হয়।’ এর জবাবে হ্যালন যুক্তি দেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই।’
এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে, যেখানে ইসরায়েল ও নরওয়ের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হ্যালনের মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে ইসরায়েল নরওয়ের সমর্থন চাইছে, কিন্তু নরওয়ে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই হামলাকে সমর্থন করতে অস্বীকার করছে।
এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা নীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে। উভয় পক্ষের অবস্থান ভবিষ্যতে কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
