লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা, উত্তেজনা বৃদ্ধি
রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন অংশে সোমবার (২ মার্চ) ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এই হামলা শুরু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে তেহরান সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ কর্তৃক ইসরায়েল লক্ষ্য করে প্রথমে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরপরই। লেবাননজুড়ে মুহুর্মুহু হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি ফোর্স সন্ত্রাসী সংগঠনটির স্থাপনা লক্ষ্য করে জবাবি আক্রমণ শুরু করেছে বলে জানানো হয়েছে।
হিজবুল্লাহর আক্রমণ ও ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হিজবুল্লাহর প্রজেক্টাইল ফায়ারের জবাবে ইসরায়েলি ফোর্স সন্ত্রাসী সংগঠনটির স্থাপনা লক্ষ্য করে লেবাননজুড়ে হামলা শুরু করেছে। এর আগে ইসরায়েলে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে, লেবানন এবং এর জনগণের প্রতিরক্ষার জন্য ইসরায়েলে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ওই চুক্তির পর এই প্রথম ইসরায়েলে হামলা চালানোর কথা জানালো হিজবুল্লাহ। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, লেবাননজুড়ে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। প্রথমে বৈরুতে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর হামলা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সন্দেহজনক। হিজবুল্লাহর নাম উল্লেখ না করে সালাম বলেন, তার সরকার দুর্বৃত্তদের থামাতে এবং লেবাননের জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই পরিস্থিতিতে লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
এই হামলার ফলে লেবাননে উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
