ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেহরানসহ একাধিক শহর আক্রান্ত
ইরানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আকস্মিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়েছে, যা দেশটির রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এবং দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়েছে। সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
হামলার লক্ষ্য ও বিস্তারিত তথ্য
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। মার্কিন একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা হয়েছে, যদিও তিনি বিস্তারিত বিবরণ দিতে রাজি হননি। আরেক মার্কিন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন যে, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সামরিক হুমকি মোকাবেলা করা এবং মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করা, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
হামলার প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি
ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের রাজধানী তেহরান ছাড়াও ইসফাহান, কোম, কারাজ এবং কারমানশাহ শহরে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এখনও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন, যা ভবিষ্যতে আরও বিশদ প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রেখেছে।
এই ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, যার প্রভাব বিশ্বব্যাপী অনুভূত হতে পারে।
