নেত্রকোনার পূর্বধলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের ইলাসপুর চৌরাস্তা ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
নিহত ও আহত ব্যক্তিরা
নিহত ব্যক্তিরা হলেন পূর্বধলার দক্ষিণ কালডোয়ার গ্রামের আয়নাল হক (৫০) ও সাধুপাড়া গ্রামের মো. আজিম উদ্দিন (৪৫)। আহত ব্যক্তিরা হলেন পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সারা তাবাসসুম ঊর্মি, দক্ষিণ কালডোয়ার গ্রামের মোল্লা মিয়া (৪৫) ও ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা সদরের আবদুল আজিজ খানের ছেলে মো. মনির হোসেন খান (২৪)।
দুর্ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ সেতু এলাকা থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে পূর্বধলার উদ্দেশে সিএনজিটি যাচ্ছিল। সকাল আটটার দিকে ইলাসপুর চৌরাস্তা ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে দুর্গাপুরের বিরিশিরি বাস স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা আয়নাল হক ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয় লোকজন অন্য চারজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজিম উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত চিকিৎসকের বক্তব্য
আহত চিকিৎসক সারা তাবাসসুম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মাথা, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন।
পুলিশের কার্যক্রম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, নিহত ব্যক্তিদের লাশ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। বাস ও সিএনজিচালককে আটকের চেষ্টা চলছে।



