যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দখলদার ইসরাইল এবং লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যেও যুদ্ধবিরতির জোরালো দাবি ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। তবে সাধারণ ইসরাইলিরা এই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেছিলেন, বিশেষ করে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা। কারণ হিজবুল্লাহর হামলার বেশিরভাগ ভার বহন করতে হয়েছে তাদেরই। সেখানকার বাসিন্দারা চেয়েছিলেন হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণরূপে পরাজিত করার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখা হোক। কিন্তু যখন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তা মেনে নিতে বাধ্য হন, তখন উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা এটিকে নিজেদের সঙ্গে ‘বেঈমানি’ হিসেবে বিবেচনা করেন।
ইসরাইলের পুনরায় যুদ্ধ শুরু ও হিজবুল্লাহর পুনর্গঠন
ইসরাইলি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নির্মূল করবে। সেই লক্ষ্যে হিজবুল্লাহকে পরাজিত করতে তারা নতুন করে আবারও যুদ্ধ শুরু করে। কিন্তু ইসরাইল তখন দেখতে পায় যে হিজবুল্লাহ পরাজিত হয়নি; বরং তারা নিজেদের পুনর্গঠিত করেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো এখন খবর প্রচার করছে যে ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননে যুদ্ধ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম খাচ্ছে এবং লেবাননের মাটিতে এক চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছে। অর্থাৎ, তারা না জিততে পারছে, না হারতে পারছে।
তেলের দামে প্রভাব
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন হামলা শুরু করতে সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এমন খবর প্রকাশিত হলে ২০২২ সালের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি



