পাকিস্তান নৌবাহিনীর 'তৈমুর' ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা: দেশীয় প্রযুক্তির মাইলফলক
পাকিস্তানের 'তৈমুর' ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা

পাকিস্তান নৌবাহিনীর 'তৈমুর' ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা: দেশীয় প্রযুক্তির মাইলফলক

পাকিস্তান নৌবাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র 'তৈমুর'-এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদ ক্ষমতা এবং নৌবাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতির শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে।

দেশীয় প্রযুক্তির সাফল্য

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, দূরপাল্লা থেকে শত্রুর সামুদ্রিক হুমকি শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষেত্রে এই সক্ষমতা পাকিস্তান নৌবাহিনীর শক্তি আরও বাড়িয়েছে। এই সফল পরীক্ষা দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই উন্নয়ন প্রথাগত যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত ও বহুমুখী আক্রমণ ক্ষমতাকে আরও জোরদার করবে। দেশের সামুদ্রিক স্বার্থ ও জলসীমা রক্ষায় নৌবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করা হয়। এদিকে, দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেসসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা এ অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের সাফল্যগুলো

এর আগে, ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান নৌবাহিনী দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম একটি জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। এছাড়া, চলতি বছরের জানুয়ারিতে উত্তর আরব সাগরে মহড়ার সময় ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এই ধারাবাহিক সাফল্যগুলো পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতে দেশীয় প্রযুক্তির অগ্রগতিকে তুলে ধরছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, এই পরীক্ষাটি পাকিস্তানের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশে এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরির পথ সুগম করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।