সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু সুমন বাহিনীর প্রধান সুমনসহ পাঁচ সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রোববার (১৭ মে) দিবাগত রাত ১১টার দিকে সুন্দরবনের নন্দবালা খালসংলগ্ন এলাকায় তারা আত্মসমর্পণ করে।
আত্মসমর্পণের বিবরণ
আত্মসমর্পণের পর তাদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোস্টগার্ড স্টেশন দোবেকিতে রাখা হয়েছে। এ সময় তারা কোস্টগার্ডের কাছে তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক, দুটি পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও তিন রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জমা দেয়।
প্রতিমন্ত্রীর নিশ্চিতকরণ
রোববার (১৮ মে) সকাল ১০টার দিকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ডা. শেখ ফরিদুল ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘১৭ মে ২০২৬ তারিখ আনুমানিক রাত ১১টায় সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত সুমন বাহিনীর প্রধান সুমনসহ মোট পাঁচজন সদস্য সুন্দরবনের নন্দবালা খালসংলগ্ন এলাকা থেকে কোস্টগার্ডের নিকট অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বর্তমানে বিসিজি স্টেশন দোবেকিতে রাখা হয়েছে।’
সরকারের দস্যু দমন অভিযান
তিনি আরও লেখেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত দস্যু দমন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানের ফলে বনাঞ্চলে দস্যু তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।’ এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, বনদস্যুদের আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।



