জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের জন্য ফেলোশিপ ঘোষণা, আবেদনের শেষ তারিখ ১৩ এপ্রিল
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের ফেলোশিপ, আবেদন ১৩ এপ্রিল

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ ফেলোশিপ কর্মসূচির ঘোষণা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও অভিযোজন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ফেলোশিপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্লাইমেট ব্রিজ ফান্ড (সিবিএফ)। এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে জার্মান সরকারের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা রয়েছে, যেখানে কেএফডব্লিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ব্র্যাক এ ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

ফেলোশিপের সুযোগ-সুবিধা ও কর্মপরিধি

এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত ফেলোরা বাংলাদেশে জলবায়ুসহনশীলতা এবং কমিউনিটি পর্যায়ের অভিযোজন নিয়ে তথ্যভিত্তিক ও গুণগত প্রতিবেদন তৈরির বিশেষ সুযোগ পাবেন। ফেলোশিপের অংশ হিসেবে তাঁরা সিবিএফের অর্থায়ন করা বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা সরাসরি পরিদর্শন করবেন এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

এই কাজের জন্য ফেলোদের নির্দিষ্ট আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে, পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে যাতায়াতের সুবিধা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হবে। প্রিন্ট, অনলাইন, টেলিভিশন, ভিডিও এবং ফটোসাংবাদিকতায় নিয়োজিত যেকোনো পেশাদার সাংবাদিক এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফেলোদের মূল দায়িত্ব ও প্রত্যাশা

ফেলোদের প্রধান কাজ হবে মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রাম, অভিযোজন কৌশল এবং সিবিএফের প্রকল্পের প্রভাব নিয়ে উচ্চমানের ও মানবিক আবেদনসম্পন্ন প্রতিবেদন বা স্টোরি তৈরি করা। এই প্রতিবেদনগুলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা

আগ্রহী প্রার্থীদের ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) ও আবেদনপত্র (কভার লেটার) [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল করতে হবে। ফেলোশিপের বিস্তারিত শর্তাবলি ও আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে।

এই ফেলোশিপ কর্মসূচি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকতায় বিশেষায়িত ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী পেশাদারদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে, যা বাংলাদেশের জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করবে।