সোমবার সকালে বায়ুদূষণে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে ছিল ঢাকা। সকাল ৮:৫৫ মিনিটে শহরটির বায়ু মান সূচক (একিউআই) ছিল ১৩৭, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত।
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দূষণের মাত্রা
একিউআই স্কেল অনুযায়ী, ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মাত্রায় শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়।
ইরাকের বাগদাদ, থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই এবং বাহরাইনের মানামা যথাক্রমে ২১২, ১৪৭ ও ১৪২ স্কোর নিয়ে শীর্ষ তিন স্থানে রয়েছে।
একিউআই স্কেলের ব্যাখ্যা
- ১৫১-২০০: ‘অস্বাস্থ্যকর’
- ২০১-৩০০: ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
- ৩০১-এর উপরে: ‘বিপজ্জনক’
একিউআই প্রতিদিনের বায়ুর গুণগতমান নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যপ্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করে।
বাংলাদেশের বায়ুদূষণ পরিমাপ
বাংলাদেশে একিউআই পাঁচটি প্রধান দূষক পদার্থের ভিত্তিতে গণনা করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (এনও২), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই অক্সাইড (এসও২) এবং ওজোন।
ঢাকার দীর্ঘস্থায়ী দূষণ সমস্যা
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে। শীতকালে বায়ুর গুণগতমান সাধারণত আরও খারাপ হয় এবং বর্ষা মৌসুমে উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমান অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় সাত মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ।



