দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। উপকূলীয় সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে। স্থলভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টাজুড়ে ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বর্ষণের ঝুঁকি রয়েছে।
ঝড়ের সতর্কবার্তা
আবহাওয়া অধিদফতরের ঝড়ের সতর্কবার্তায় বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে পশ্চিম বা উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা তার বেশি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। এ সময় কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা
ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আজ দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধ্বসের শঙ্কা রয়েছে।
২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য অব্যাহত রয়েছে। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



