জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা
জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির মানবিক নেতৃত্বের উচ্চ প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন

বৈঠকের শুরুতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের জন্য উষ্ণ অভিনন্দন জানান। তিনি জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রতি অটুট সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন, যা দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটায়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকা

গুতেরেস বিশেষভাবে বাংলাদেশের মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার প্রশংসা করেন, যা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের এই প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৈশ্বিক ইস্যুতে আলোচনা

বৈঠকে দুই পক্ষ সমকালীন বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে:

  • চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রভাব
  • বিশেষ করে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মুখোমুখি চ্যালেঞ্জ
  • টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পথে অগ্রগতি

ড. খলিলুর রহমান এই সংকটের অসম প্রভাবের ওপর জোর দেন, যা দরিদ্র দেশগুলোকে অসম্ভব চাপের মুখে ফেলছে।

সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

উভয় পক্ষ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন প্রচারে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালীকরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবকে বাংলাদেশ সফরের জন্য একটি আমন্ত্রণ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সফর পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারণ করা যেতে পারে।

গুতেরেস এই আমন্ত্রণকে স্বাগত জানান এবং তার প্রশংসা প্রকাশ করেন, যা দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে।

এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে চলমান অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও গভীর সহযোগিতার দিকে পরিচালিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।