অভিবাসী অধিকার সুরক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের
অভিবাসী অধিকার সুরক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহি জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে বৃহস্পতিবার (৭ মে) এ আহ্বান জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘পুরো-সরকার এবং পুরো-সমাজ’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহি জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন স্তর এবং সমাজের সব অংশকে একত্রিত করে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা আনা সম্ভব হচ্ছে।

আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই টাস্কফোর্স অভিবাসন সংক্রান্ত নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বয় করবে এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অভিবাসনের বিভিন্ন দিককে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মন্ত্রী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। এই অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে অভিবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন, বৈধ অভিবাসন পথ সহজীকরণ এবং অভিবাসন খরচ কমানোর মতো বিষয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট অভিবাসন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া উচিত বলে মত দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ফোরামের মাধ্যমে গৃহীত পদক্ষেপগুলো অভিবাসীদের জন্য আরও ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে।