মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি উপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার
মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেমি উপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার

ভোলার মনপুরায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপকূলের বেড়িবাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা।

টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা

বুধবার দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি চলেছে। গত চার দিন ধরে উপকূলে টানা বর্ষণে মূল ভূখণ্ডে পানি জমে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে হাজার হাজার বাসিন্দা চরম বিপাকে পড়েছেন। মনপুরা থেকে বিচ্ছিন্ন চরকলাতলী, ডালচর ও কাজীর চরেও ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানি প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলীর তথ্য

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা যুগান্তরকে জানান, মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন, 'টানাবর্ষণে ও মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরেজমিন পরিদর্শনে যা দেখা গেছে

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, টানাবর্ষণে মনপুরার মূল ভূখণ্ডের ভেতর পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উত্তর সাকুচিয়া, দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজিরহাট ও মনপুরা ইউনিয়নের আবাসন প্রকল্পের ঘরগুলোতে। গত তিন দিন ধরে বৃষ্টির পানিতে ডুবে রয়েছে এসব ঘর। ফলে চুলায় হাঁড়ি না ওঠায় অনেকে উপোস থাকছেন, কেউ কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিনযাপন করছেন।

উপকূলের সর্বত্র ২-৩ ফুট পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে খেটে খাওয়া মানুষগুলো চরম বিপাকে পড়েছেন। হাট-বাজার বন্ধ থাকায় তারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।

স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয়রা জানান, মনপুরায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে চারপাশে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে তাদের এত কষ্ট হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ