কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে উদয়ন এক্সপ্রেসের তিন বগি বিচ্ছিন্ন, বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে
কুমিল্লায় উদয়ন এক্সপ্রেসের বগি বিচ্ছিন্ন, দুর্ঘটনা এড়ানো

কুমিল্লায় উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের তিন বগি বিচ্ছিন্ন, বড় দুর্ঘটনা এড়ানো

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি উদ্বেগজনক রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে চলন্ত অবস্থায় উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের তিনটি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে হাসানপুর ও গুণবতী রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলছিল।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

হাসানপুর রেলস্টেশনে সংক্ষিপ্ত বিরতির পর ট্রেনটি পুনরায় যাত্রা শুরু করলে হঠাৎ গার্ড ব্রেক বগিসহ তিনটি বগি ইঞ্জিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে যায়। ইঞ্জিনসহ বাকি অংশ প্রায় এক কিলোমিটার এগিয়ে যায়, যা একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ট্রেন থামানো হয় এবং রেলকর্মীরা প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে বিচ্ছিন্ন বগিগুলো পুনরায় সংযুক্ত করতে সক্ষম হন। এরপর ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা অব্যাহত রাখে।

যাত্রীদের ভোগান্তি ও অভিযোগ

এ ঘটনায় ট্রেনের শতাধিক যাত্রী গুরুতর ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক যাত্রী সরাসরি অভিযোগ করেন যে, রেল ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তবে, বগিগুলো লাইনচ্যুত না হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রেল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

হাসানপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার নাসির উদ্দিন জানান, সকাল ৬টা ৫ মিনিটে ট্রেনটি স্টেশন অতিক্রম করার পরই এ ঘটনা ঘটে। স্টেশনের বাইরে ট্রেনটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ট্রেনটি স্বাভাবিক করেন এবং প্রায় আধা ঘণ্টা পর পুনরায় চলাচল শুরু হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।