পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযান পঞ্চম দিনেও অব্যাহত রয়েছে। রাজবাড়ীর গোপালগঞ্জ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি টার্মিনালের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রোববার সকাল থেকেই বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সদস্যরা পুনরায় তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
উদ্ধারকাজের বিস্তারিত বিবরণ
শনিবার সকাল থেকে সূর্যাস্তের পর পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। তৃতীয় টার্মিনালের পন্টুন সরানো হয় এবং চূড়ান্ত উদ্ধার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এলাকাটি খুঁজে দেখা হয়। রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ দেওয়ান মোঃ সোহেল রানা জানান, ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মীরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করছেন।
কখন শেষ হবে উদ্ধার অভিযান?
দেওয়ান মোঃ সোহেল রানা উদ্ধার প্রচেষ্টা কখন শেষ হবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেকোনো সন্দেহ এড়াতে উদ্ধার অভিযান চলমান থাকবে।
জেলা প্রশাসন ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্য-সচিব সাথী দাস বলেছেন, এখন পর্যন্ত নতুন করে নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনি যোগ করেন, উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হওয়ার পর একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
অভিযানের সময়সূচি ও পদ্ধতি
উদ্ধার অভিযান রোববার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে পুনরায় শুরু হয়। গত কয়েক দিন ধরে নিয়মিত বিরতিতে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা নদীর গভীর অংশে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে যাতে কোনো তথ্য বাদ না পড়ে। উদ্ধারকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে দ্রুততম সময়ে ঘটনার সমাধান হয়।



