চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ছয়জন আহত, গ্যাস সিলিন্ডার বিচ্ছিন্ন
সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ছয়জন আহত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: ছয়জন আহত, গ্যাস সিলিন্ডার বিচ্ছিন্নে আতঙ্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় একটি মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাইক্রোবাসটি উল্টে যাওয়ার পর গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বিকট শব্দে গ্যাস বের হতে থাকে, যা আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। তবে সৌভাগ্যবশত অগ্নিকাণ্ড না ঘটায় আহতরা বেঁচে যান।

দুর্ঘটনার বিবরণ ও উদ্ধার কার্যক্রম

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশাটি সড়কের পাশে যাত্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ সামনে থেকে মাইক্রোবাসটি এটিকে ধাক্কা দেয়। মাইক্রোবাসের চাকা ফেটে যাওয়ায় এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল এবং সংঘর্ষের পর সড়কের পাশেই উল্টে যায়। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় গ্যাস বের হতে শুরু করে, যা উদ্ধারকারীদের মধ্যেও ভয় সৃষ্টি করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে মাইক্রোবাসের চারজন যাত্রী ও অটোরিকশার দুজন যাত্রী রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী মো. জুবায়ের হোসেন জানান, মাইক্রোবাস উল্টে যাওয়ার পর অন্তত দুই মিনিট যাত্রীরা ভেতরে আটকা ছিলেন। গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার পরই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আহতদের পরিচয় ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত সদস্য ফয়সাল আজিজের মতে, মাইক্রোবাসে থাকা একজন কুয়েতপ্রবাসী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। এছাড়া অটোরিকশার দুই যাত্রীও আহত হয়েছেন। কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জাকির রাব্বানী বলেন, কুয়েতপ্রবাসী ওই ব্যক্তিকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দর থেকে আনতে গিয়েছিলেন। মাইক্রোবাসটি সীতাকুণ্ড পৌর সদরের দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনাটি সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্বকে আরও একবার উজ্জ্বল করে তুলেছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।