চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন: পাওয়ার কার ও এসি বগি পুড়ে গেছে
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে বৃহস্পতিবার সকালে আগুন লেগে পাওয়ার কার ও একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
ঘটনার সময় ও স্থান
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সোয়া ৬টার দিকে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট স্টেশনের কাছে ট্রেনটিতে আগুন লাগে। চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল এবং কোনও এক পর্যায়ে আগুনের সূত্রপাত হয়।
আগুন নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষয়ক্ষতি
কুমিরা ফায়ার স্টেশনের সহকারী কর্মকর্তা এহসান আলী জানান, সকাল ৮টার দিকে আগুন নেভানো হয়। তিনি বলেন, 'আগুনে ট্রেনের পাওয়ার কার ও একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ট্রেনে পাওয়ার কার থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সূত্র অনুযায়ী, চট্টলা এক্সপ্রেসে পাওয়ার কারসহ ১৮টি বগি ছিল। পেছন দিক থেকে ছয় নম্বরে থাকা পাওয়ার কার এবং একটি এসি বগি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই ট্রেনের দুটি বগি থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, 'চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন লাগার কারণে কয়েকটি ট্রেন দেরিতে স্টেশন থেকে ছেড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।'
এই ঘটনা রেলওয়ে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে। যাত্রীদের নিরাপদে সরানো হয়েছে বলে জানা গেছে, তবে ক্ষয়ক্ষতি ও পরিষেবা বিঘ্নের বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।



