ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা, বাংলাদেশের খুলনায় উৎপত্তি
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুরে কলকাতায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এই ভূকম্পন উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতা পর্যন্ত টানা কয়েক সেকেন্ড ধরে অনুভূত হয়, যার ফলে শহরের বিভিন্ন বহুতল ভবন কেঁপে উঠেছে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের খুলনা, এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৩।
আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়া পরিস্থিতি
ভূমিকম্পের সময় ভয় ও আতঙ্কে অনেক মানুষ তাদের বাড়ি এবং অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যান। কয়েকটি পুরোনো বাড়ি হেলে পড়ার খবরও পাওয়া গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার বলে জানা গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলায় প্রভাব
কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও এই ভূমিকম্প জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে জেলা শাসকের অফিসের কর্মীরা ভূকম্পন অনুভব করে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। এলাকার বাড়ি এবং আবাসন নড়ে যায়, এবং বন্ধ থাকা সিলিং ফ্যান দুলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ।
- ঝাড়গ্রাম জেলাতেও অনেকেই ভূমিকম্প টের পেয়েছেন।
- হাওড়া এবং হুগলি জেলাতেও একই রকম পরিস্থিতি দেখা গেছে।
পূর্বের ভূমিকম্পের স্মৃতি
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ কলকাতায় আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। সে সময় কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার, এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬। এই সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আবহাওয়া দপ্তর এই ঘটনার উপর নজর রাখছে, এবং ভূমিকম্পের পরবর্তী প্রভাবগুলি মূল্যায়ন করছে। জনগণকে সতর্কতা অবলম্বন এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
