১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে ফের ভূমিকম্প: সিকিম ও মিয়ানমারে উৎপত্তি
১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে ফের ভূমিকম্প

১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৩ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিমে

ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য

ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৭ দশমিক ২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৮ দশমিক ২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, গত বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইএমএসসি ওয়েবসাইট অনুযায়ী রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে

পূর্ববর্তী ভূমিকম্পের বিবরণ

ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৪১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৪ দশমিক ৭২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

এই দুই ভূমিকম্পের মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা, যা দেশের ভূতাত্ত্বিক অবস্থার প্রতি নজর রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের কম্পন বাংলাদেশে মাঝেমধ্যেই অনুভূত হতে পারে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কম।

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলো নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো জরুরি অবস্থার খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে।